ফরিদপুর আলফাডাঙ্গা উপজেলায় সরকারি নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে কৃষককের বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে এক সার ডিলার ব্যবসায়িকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
গত সোমবার (৫ জানুয়ারী) বিকেল ৫.৩০ টার দিকে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলা সহস্রাইল বাজারে ইলিয়াস মোল্লা নামক দোকানে সার পাচারের অভিযোগে আলফাডাঙ্গা পৌর সদর বাজারে মেসার্স রাজীব এন্টারপ্রাইজ এর মৃত্যু গনেশ কুন্ডুর ছেলে স্বত্বাধিকারী ডিলার রাজীব কুমার কুন্ডুকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আলফাডাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তুষার শাহা উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি বিপণন ২০১৮( ১) এর ঠ ধারায় মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা অনাদায়ী এক বছরের জেল ধার্য্য করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স রাজীব এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী রাজীব কুমার কুন্ডু দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের সার কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অবৈধ ভাবে বিক্রি করে আসছে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলা বাজার গুলোতে।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে কৃষকের প্রতি কেজি ২১ টাকার জায়গায় ৩০ টাকা দরে বিভিন্ন জায়গায় সার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে । এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বারাশিয়া নদীর ব্রিজের উপরে ইছাপাশা গ্রামের সাগরের বোঝাই ভানসহ ডিএপি সার ১০ বস্তা পাচারের সময় সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে গতিরোধ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা অবগত করলে
কৃষি কর্মকর্তার সহযোগিতায় ভ্যানটি আটক করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভূমি অফিস কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
আবুল হোসেন নামে এক কৃষক অভিযোগ করে বলেন,সকল দোকানে সার কিনতে গেলে বলে সার নেই অল্প কিছু আছে ৩০ টাকা হলে দেওয়া যাবে।যেখানে সরকার নির্ধারিত ২১ টাকা।অথচ প্রতিদিন সকাল বিকেল বোয়ালমারী, কাশিয়ানী নসিমন ও ভ্যানে দশ পনের টি গাড়ি পাচার হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার শাহা বলেন,আলফাডাঙ্গায় যোগদানের পর থেকে সার পাচার হচ্ছে অভিযোগ পাই হাতে নাতে ধরতে পারি না।আর আমার হাতে জেল জরিমানা ক্ষমতা থাকলে সকল ডিলারকেই আইনের আওতায় আনা হতো।আপনাদের মাধ্যমে ধরতে পেরে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান বলেন,সার পাচার অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ প্রমাণ পাওয়ায় এবং গত বছর সার দাম বেশি নেয়ার অপরাধে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, বার বার অপরাধ করায় ৫০ হাজার টাকা অনাদায়ী এক বছরের জেল দেওয়া হয়েছে।