নোটিশ:
  • আরো উন্নত ও সুপার ফাষ্ট ওয়েব ডেভেলপের কাজ চলছে।  আমাদের সাথে থাকার জন্য দেশ-বিদেশের সকল পাঠক ও সাংবাদিক'দের ধন্যবাদ।

১ টি সমাধান করলে ৯৯ টি সমস্যা থাকবে না সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
77.6kভিজিটর

আসসালামু আলাইকুম।

একটি আবেদন করছি! জানিনা কে কিভাবে নিবেন কিংবা কার কাছে গিয়ে পৌঁছাবে বুঝতে পারছিনা! আমার ব্যক্তিগত মতামত আবেদনসদৃশ আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

“বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্ম থেকে নিবন্ধন আকারে একটি কার্ড তৈরি করা উচিত! এটার নাম এনআইডি অথবা জন্ম নিবন্ধন কিংবা অন্য যে কোন নাম হতে পারে! যদিও আলাদাভাবে আছে তবে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সঠিকভাবে সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এখনো অনেক লোক আছে যাদের কোন এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন নেই। সঠিকভাবে জনসংখ্যা হিসাব করার জন্য ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্ডটি খুবই জরুরী। কিভাবে করতে হবে এবং এর সুবিধা কি তা একসাথে নিম্নে উল্লেখ করছিঃ

১) ভূমিষ্ঠ হলেই সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোন সংস্থা থেকে তার জন্য নিবন্ধন করে কার্ড নিতে হবে। নাম তার যাই হোক। যাঁর এনআইডি আছে তো আছেই, যাঁর নেই কিংবা ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি অথবা জন্মনিবন্ধন করেছেন তাঁরাও এনআইডি করবেন। সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা নির্বাহী অফিস, থানা, ইউনিয়ন পরিষদ, হাসপাতাল ইত্যাদি অফিসে নাগরিক সুবিধা নিতে গেলে এনআইডি করেছেন কিনা তা যাচাই করে নেয়া হবে এবং না করে থাকলে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়া হবে।

২) ১৮ বছর পূর্ণ হলে অটোমেটিক্যালি তাদেরকে ভোটার কার্ড দিতে হবে। ভোটার কার্ড ব্যবহার করে তারা ভোট প্রদান করবেন। নির্বাচনের সময় তো প্রার্থীগণ ভোটার স্লিপ দেন। এক্ষেত্রে সরকারিভাবে ভোটার কার্ড দিলে ক্ষতি নেই তো!

৩) কারো মৃত্যু হলে তো সংস্থার সাথে যোগাযোগ করলে তার কার্ডটি অটোমেটিক্যালি বাতিল হবে। বাতিল হবে বলতে ব্যবহার বন্ধ হবে। তবে তাঁর আইডিতে তাঁর ওয়ারিশদের তথ্য থাকবে। এতে হরাইজ অনুযায়ী তার সম্পদের পরবর্তী উত্তর অধিকার নির্ধারণ করার সহজ হবে।

৪) সরকারি ও বেসরকারি চাকুরি, জমির নামজারি, দলিল সম্পাদন, ব্যাংক হিসাব খোলা, চিকিৎসা, শিক্ষা, কেনাকাটা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে তার জন্ম নিবন্ধন বা কার্ডটি দরকার হবে। এতে সবাই না লুকিয়ে নিবন্ধন করতে বাধ্য হবে।

৫) facebook, ইনস্টাগ্রাম সহ অন্যান্য ইন্টারনেট সুবিধা এবং সিম রেজিস্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে কার্ডটি প্রয়োজন হবে। এমনকি উপরোক্ত সুবিধা পেতে তাৎক্ষণিক একটি গ্রাহকের সেলফি তোলা বাধ্যতামূলক করতে হবে। তাহলে ফেক আইডি ও সিমের ফেক রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হবে। অনেক অপরাধ কমে যাবে।

৬) ০৫, ১৮ ও ৩৫ বছরগুলোতে ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংযুক্ত ও ম্যাচিং করা যাবে।

৭) এক সময় এনআইডি নম্বরটি তার জীবনের পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তাঁর সকল তথ্য এখানে থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি চাকুরী, বিয়ে-শাদী ও অন্যান্য কাজে আলাদা করে ভেরিফিকেশন করার দরকার হবে না। জনগণ বিভিন্ন হয়রানি থেকে বেঁচে যাবেন।

উপকারীতাঃ ব্যক্তিগত একটি আইডেন্টিফিকেশন নম্বর থাকলে তিনি নাগরিক সুবিধা পাবেন। নচেৎ নয়। এতে দেশের সিংহভাগ অপরাধ কমে যাবে। কেউ অপরাধ করতে গেলে অনেক হিসাব-নিকাশ করবে। অন্যের উপর অত্যাচার করা এত সহজ হবে না। অপরাধী সহজেই ধরা পড়ে যাবে। ফেক আইডি বন্ধ হবে। একজনের প্রতি অন্যের বিষোদগার কমে যাবে। সার্বিক গন্ডগোল কম হবে। vgf চাল বিতরণ, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, ফ্যামিলি কার্ড সুবিধাসহ অনেক চ্যারিটেবল কাজ সঠিকভাবে সততার সাথে সম্পাদন করা সহজ হবে। রাষ্ট্রের অনেক অর্থ অপচয় কমে যাবে। রাষ্ট্রীয় ফান্ড ভালো থাকবে এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করা যাবে।”

বিষয়টি ভাল লাগলে যে যেভাবে পারেন নিজ নিজ উদ্যোগে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে পারেন। ভাল না লাগলে আমাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন! সকল মহতি মিডিয়াকর্মীবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের সদস্যগণ এটি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে পারেন!

নিউজ শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright©2025 WSB News24 All rights reserved
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x