আসন্ন শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান মুক্তা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দলীয় সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন এবং দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী।
আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান মুক্তা বলেন, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই। এজন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কারসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করবেন।
এছাড়া সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি—যেমন বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও অন্যান্য সহায়তা কার্যক্রম-স্বচ্ছ ও ন্যায্যভাবে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। প্রশাসনিক কার্যক্রমে দুর্নীতি ও হয়রানি রোধে জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর কথাও উল্লেখ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থীতা ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীর পক্ষে মতবিনিময় সভা, গণসংযোগ ও আলোচনা সভা আয়োজনের প্রস্তুতিও চলছে। সমর্থকদের প্রত্যাশা, দলীয় মনোনয়ন পেলে আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান মুক্তা শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।
এদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে পুরো এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় হয়ে উঠছেন এবং ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি যেন প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিনিধি হয়ে স্বচ্ছতা, উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করেন।
সব মিলিয়ে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান মুক্তার প্রার্থীতা ঘোষণা। এখন দেখার বিষয়, দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় কী সিদ্ধান্ত আসে এবং নির্বাচনী মাঠে কীভাবে গড়ে ওঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।