বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর অধিনে আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরিক্ষায় চুড়ান্ত ফলাফলে আইনজীবী হলেন বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট এম কামরুজ্জামান জয়। গত ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হয়েছে।
জানা যায় তার গ্রামের বাড়ি মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামের,০৭নং ওয়ার্ডের আকন বাড়ি। তার পিতার নাম মোঃজাকির হোসেন মাতা কামরুন্নাহার রোজী।
বার কাউন্সিল পরীক্ষায় মেহেন্দিগঞ্জের কৃতি সন্তান এম কামরুজ্জামান জয়ের সাফল্য
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অধীনে আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) চূড়ান্ত ফলাফলে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট এম কামরুজ্জামান জয়।
গত ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন এবং মেহেন্দিগঞ্জবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।
পারিবারিক পরিচয়:
অ্যাডভোকেট এম কামরুজ্জামান জয় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী আকন বাড়ির এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ জাকির হোসেন এবং মাতা কামরুন্নাহার রোজী। সন্তানের এই অভাবনীয় সাফল্যে তারা মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন এবং সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
জয়ের এই সাফল্যে তার নিজ গ্রাম চানপুরসহ মেহেন্দিগঞ্জের বিভিন্ন স্তরের মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় এম কামরুজ্জামান জয় বলেন,
“আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। আমি যেন সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে মানুষের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পারি এবং সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি, এটাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি আমার মা-বাবা এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ যাদের অনুপ্রেরণা ও দোয়ায় আমি আজ এই অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি।”
উল্লেখ্য, এখন থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের যেকোনো নিম্ন আদালতে আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেন। তার এই কৃতিত্ব মেহেন্দিগঞ্জের তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় গুণীজনরা।
তার সাথে আরো যোগাযোগ করে জানা যায় যে, তিনি বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির অধীনে আইন পেশায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান। তার মনের সুপ্ত বাসনা গরিব অসহায় অর্থহীন মানুষকে বিনা অর্থে আইনি সেবা দিয়ে সর্বসাধারণের পাশে থাকার ইচ্ছা পোষণ করে করেন।