রাজনীতির ময়দানে আদর্শ যখন অটল থাকে, তখন প্রতিপক্ষ বেছে নেয় অপপ্রচারের পথ। চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াকিল হোসেন বগা—যিনি ১৩ নং ওয়ার্ডের মানুষের কাছে এক আস্থার নাম। সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র। কিন্তু মিথ্যার বালির বাঁধ দিয়ে কি জনসমর্থনের জোয়ার আটকানো সম্ভব?
সাজানো নাটক ও সত্যের জয় সম্প্রতি জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে একটি ভিডিও বা অডিও ক্লিপ প্রচার করা হয়েছে, যেখানে সেগুনবাগান এলাকার লেদু ও এক মহিলার কথোপকথনে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ওয়াকিল হোসেন বগার নাম জড়ানো হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই সংলাপে অংশ নেওয়া দুজনেই বিগত আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য নিজেদের মধ্যে কথা বলে তারা একজন ত্যাগী নেতাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। অথচ গভীর অনুসন্ধানে এই ঘটনার সাথে ওয়াকিল হোসেন বগার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। সাংবাদিকতার আড়ালে এই ধরণের অপপ্রচার মূলত পেশাদার সাংবাদিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এক যুগের সংগ্রাম ও রাজপথের ত্যাগ চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওয়াকিল হোসেন বগা রাজপথের এক পরিচিত মুখ। গত ১৫ বছরে অসংখ্য রাজনৈতিক মামলা, হামলা আর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। ১৩ নং ওয়ার্ডে বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনকে সুসংগঠিত করতে গিয়ে বারবার তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। কিন্তু কোনো জুলুমই তাকে সাধারণ মানুষের সেবা থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন:
”বগা ভাই রাজপথের লড়াকু সৈনিক। এই ত্যাগের নেতাকে যারা ষড়যন্ত্রের জালে আটকাতে চায়, তারা আসলে ১৩ নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও শান্তিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।”
মানবিকতায় যার পরম তৃপ্তি রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও ওয়াকিল হোসেন বগা এই এলাকার মানুষের কাছে ‘ছায়া’ হয়ে থাকেন। মধ্যবিত্তের নিরব কান্না হোক কিংবা মেহনতি মানুষের আর্তনাদ—তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ান নিঃস্বার্থভাবে। করোনাকালীন দুর্যোগ থেকে শুরু করে যেকোনো সংকটে তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। মানুষের প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই আজ তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।
ষড়যন্ত্র কি হার মানবে ভালোবাসার কাছে? ১৩ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি অলিতে-গলিতে এখন একটাই আলোচনা—যিনি ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল, তাকে কেন ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হচ্ছে? তৃণমূলের সাধারণ মানুষ মনে করেন, এই নোংরা রাজনীতি মূলত বগার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েই করা হচ্ছে।
সবশেষে প্রশ্ন থেকে যায়, ১৩ নং ওয়ার্ডের মাটি ও মানুষের নেতা ওয়াকিল হোসেন বগার এই দীর্ঘ তিতিক্ষা কি অপপ্রচারের কাছে থমকে যাবে? নাকি বরাবরের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে গণমানুষের হৃদয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবেন তিনি? উত্তর দেবে সময় এবং ওয়ার্ডের সচেতন জনতা।