শিরোনাম:
বোয়ালখালীতে নবনিযুক্ত ১৪ জন স্বাস্থ্য সহকারীদের বরণ অনুষ্ঠান সম্পুন্ন গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়ায় চাঁদা আদায় করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক -০১ চট্টগ্রামে সীমানা গুলোই সস্ত্রাসীদের নীরব আস্তানা : প্রশাসন নিরব চট্টগ্রামে এক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার সাংবাদিক জুয়েল খন্দকারের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর সাহেদ ইকবাল বাবুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত চাঁদার দাবিতে হাবিববাহিনীর হামলায় আহত ১, এলাকাবাসীর ঝাড়ু মিছিল সদ্য যোগদানকৃত রেঞ্জ ডিআইজির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কাশিয়ানির রাহুথড় উদয়ন বিদ্যাপিঠ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ অপসারণ কাশিয়ানীতে নকল পণ্যের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান বোয়ালখালীতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে আহত ৫

১৫ বছরে ব্যাংক খাতে ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাট সিপিডি

এম মনির চৌধুরী রানা
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
24.1kভিজিটর

২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে লোপাট হয়েছে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা।আজ (২৩ ডিসেম্বর) শনিবার সকালে ধানমন্ডিতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির কার্যালয়ে ” বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৩-২৪ চলমান সংকট ও করণীয় ” শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ঋণ, অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে ঋণ, অর্থ লোপাটসহ নানান ধরনের আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকে যে অনিয়ম গুলো হয়, সেগুলো অফিসিয়াল সূত্রে পাওয়া যায় না। সেগুলো সংবাদমাধ্যমে আসে। গণমাধ্যমকর্মীরা সেগুলো হয়তো অফিসিয়াল সূত্রেই আনেন। এগুলোকে কম্পাইল করেছি দেখার জন্য।

২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গণমাধ্যমে ২৪টি ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। এসব ঘটনায় ৯২২ দশমিক ৬১ বিলিয়ন টাকা বা ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ বা অপচয় হয়েছে। বিশাল এ অর্থ দিয়ে কী হতে পারে সেটা আপনারা হিসাব করতে পারেন। আপনারা হিসাব করতে পারেন আমাদের রাজস্ব ঘাটতি কত। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কত ব্যয় হচ্ছে, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে কত ব্যয় করছি। এই পরিমাণ টাকা দিয়ে আমরা কী করতে পারতাম।

তিনি আরও বলেন, এ টাকা আত্মসাৎ হচ্ছে, অপচয় হচ্ছে। ব্যাংকে যে টাকা, সেটি জনগণের টাকা। সেটা কীভাবে ব্যয় হচ্ছে তা চিন্তার বিষয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকিং খাতে নিয়মকানুন বাস্তবায়ন ও সংস্কার একেবারেই জরুরি হয়ে পড়েছে। ফাহমিদা বলেন, নিয়ম-কানুনের অভাব নাই। অনেক ভালো নীতিমালা আছে। সেগুলো বাস্তবায়ন হয় না।

পরিদর্শন,পরিবীক্ষণ হয় না। যারা ঋণখেলাপির সঙ্গে জড়িত তারাই আবার নিয়ম করে দেন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে যে,ঋণ রি-শিডিউল করা যাবে। এরকম বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও নীতিমালার বাস্তবায়ন দরকার। এই টাকা কোথায় গেলো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা তো আমরা জানি না এই টাকাটা কোথায় গেলো?

হয়তো বা এটার কিছুটা অর্থনীতিতে এসেছে। সেটা কতটুকু ব্যয় হয়েছে। এটার তথ্যটা আমাদের জানা নাই। ফাহমিদা খাতুন বলেন, সংস্কার পদক্ষেপের মাধ্যমে অর্থনীতিতে ‍সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সহজ কাজ হবে না। কারণ কায়েমি স্বার্থগোষ্ঠী শক্তিশালী এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২২, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x