শিরোনাম:
এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষায় শহীদ অ্যাডভোকেট আবদুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয় এর সাফল্য “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎকর্ষতা অর্জন করতে হবে” ড, মোহাম্মদ আলমগীর। বোয়ালমারীতে এসডিসির পক্ষ থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসিদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বোয়ালমারীতে চোরাই গরুর মাংশ বিক্রি অভিযুক্ত কসাই পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার ৪১তম স্ব‌দেশ প্রত‌্যাবর্তন দিব‌সের আ‌লোচনা সভা অনু‌ষ্ঠিত স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যার আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন। চাটমোহরে বিষপানে দুই স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা জামালপুরে মাস ব্যাপী কৃষি,শিল্প বাণিজ্য মেলা উদ্ধোধন নওগাঁ আমের রাজধানী সাপাহারে আবারও ঝড়, আবারও ক্ষয়ক্ষতি গঙ্গাচড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠিত

বোয়ালমারীতে গ্রাম্য সংঘর্ষের অবসান ঘটিয়ে শান্তির পথে দশ গ্রামের মানুষ

এস.এম.রুবেল (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২২

বোয়ালমারীতে গ্রাম্য সংঘর্ষের অবসান ঘটিয়ে শান্তির পথে দশ গ্রামের মানুষ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের গ্রাম্য দলা-দলীর অবসান ঘটিয়ে শান্তিসভা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় তেলজুড়ী উচ্চবিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে শেখর ইউনিয়নের দশ গ্রামের জনগণের সম্প্রীতির মেইল বন্ধন স্থাপিত করতে শান্তি সভার আয়োজন করেছে গ্রামবাসী।


জানা যায়, ১৯৯২ সালে শেখর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে কালাম মোল্যা ও মালেক মিয়ার ছেলে ওলিয়ার রহমান মিয়ার সাথে সংঘর্ষের সূচনা শুরু হয়। তখন থেকে দুগ্রুপের দ্বন্দ্বের জের গড়িয়ে পরে ৩০ বছর যাবত। এর মাঝে প্রায় দ্বন্দ্ব জড়িয়ে পরতো মিয়া ও মোল্যা পরিবারের সমর্থকারীরা। এতে ঘর বাড়ি ভাঙচুর ও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে এলাকার সাধারন জনগণ। তা বিবেচনা করে ৩০ বছরের দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে মিয়া ও মোল্যা গ্রুপের নেতাকর্মীরাসহ সমর্থনকারীদের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে একাট্টা ঘোষণা করেছেন।


জেলা পরিষদের সদস্য শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বোয়ালমারী থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. সালাউদ্দীন আহমেদ,। বিশেষ অতিথি শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রইসুল ইসলাম পলাশ মিয়া, বোয়ালমারী সরকারী কলেজের সাবেক জিএস ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর আলম মুকুল মিয়া, এস আই হাফিজুর রহমান, ওমর হাফিজ, শাকির আহমেদসহ বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য এসময় আবুল কালম আজাদ বলেন, শুনেছি সালথা উপজেলার খারদিয়ায় গ্রামের মারামারি করতে গেলে তারা বস্তা নিয়ে যায়, মালমাল আনতে আর আমাদের এদিকে ঘর বাড়ি ভাংচুর করা হয়, একজন সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের শান্তির নীড়, এবং ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করে দেয়া হয়। এটা বিবেচনায় এনে শান্তির জন্য আমার দুগ্রুপের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে আজ থেকে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে একাট্টা ঘোষণা করা হলো। এবং আগে গ্রাম্য সংঘর্ষে এলাকার লোকজনের নামে মামলা রয়েছে তা আমারা মিটিয়ে শান্তিতে বসবাস করবো।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২২, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x