
ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন এর পুর্ব চরনন্দন পুর এলাকায় ২৮/০৩/২৩ সালে তারেক মাহমুদ (বাবু) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদীপক্ষের পরিবারকে বিভিন্নভাবে চাপ ও হয়রানি করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের অভিযোগ, তাদের একাধিক মিথ্যা মামলায়ও জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মো. শাওন (১২), পিতা—শিপন, নামে এক কিশোরকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বাবু হত্যা মামলার আসামি শফিক (৫০), তার ভাই রফিক (৫২), রফিকের দুই শ্যালকসহ আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা শাওনকে আটক করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে জবাই করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ সময় রফিকের প্রায় ১০ বছর বয়সী ছেলে তার বাবের পা ধরে শাওনকে মারধর না করার জন্য অনুরোধ করে। পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহত শাওনকে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, বাবু হত্যা মামলার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মামলা প্রত্যাহারের জন্য তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। সর্বশেষ শাওনের ওপর হামলার ঘটনায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোলা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
পরিবারের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।
অপরাধীর খোজে প্রতিদিন, যেকোন খবর প্রকাশের জন্য মেইল করুন- wsbnews24@gmail.com
Copyright © 2026 wsbnews24.com. All rights reserved.