
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ জেলায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে যৌথ বাহিনী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত এ বিশেষ নিরাপত্তা বলয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।
নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে যেকোনো ধরণের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, নাশকতা কিংবা ভোট প্রদানে বাধা দানকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সেনাবাহিনীর পেশাদার ‘কম্বিং অপারেশন’ এবং নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে জেলার প্রবেশপথ ও প্রধান সড়কগুলোতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। এসব চেকপোস্টে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে মোবাইল কোর্ট।
তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার রাতে মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজার এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাছনাতের উপস্থিতিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসময়
চেকপোস্টে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, বাস ও ট্রাকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। আইন অমান্য করায় ৭ জন মোটরসাইকেল চালক এবং ২টি দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সর্বমোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ জনগণ যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে ভোটের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে মাঠে থাকবে।
অপরাধীর খোজে প্রতিদিন, যেকোন খবর প্রকাশের জন্য মেইল করুন- wsbnews24@gmail.com
Copyright © 2026 wsbnews24.com. All rights reserved.