নোটিশ:
  • আরো উন্নত ও সুপার ফাষ্ট ওয়েব ডেভেলপের কাজ চলছে।  আমাদের সাথে থাকার জন্য দেশ-বিদেশের সকল পাঠক ও সাংবাদিক'দের ধন্যবাদ।

বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে বিশ্বস্ত দালাল চক্রের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য করছেন এসও রতন ও সার্ভেয়ার ফারুক।

নিজস্ব প্রতিবেদক।
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
42.4kভিজিটর

বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড এলাকায় অবস্থিত বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস।ভূমি জরিপ,খতিয়ান বা পর্চা তৈরি, এবং মাঠ পর্যায়ের রেকর্ড যাচাই-বাছাই করা হয় উক্ত অফিসে। ভূমি সংক্রান্ত সেবা প্রার্থীদের রেকর্ড সংক্রান্ত সেবার জন্য দায়বদ্ধতা আছে কিন্তু বর্তমানে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা,কর্মচারী ও দালাল চক্রের সক্রিয়তা এবং ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগের কারণে এই অফিসটি মাঝে মধ্যে সমালোচনার মুখে পড়েন। এইসব অভিযোগ করেন সেবাগ্রহীতা একাধিক প্রার্থী।তারা আরো বলেন, টাকা ছাড়া এখানে পর্চা বা রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজের সেবা পাওয়া কঠিন।

গ্রাম থেকে আসা সহজ সরল সাধারণ মানুষের ভুমি সংক্রান্ত জটিলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাদী বিবাদীর আপিল শুনানির রায় পক্ষে দিবে বলে সর্বোচ্চ অর্থ চুষে খাচ্ছে অসাধু সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

ভোলা বোরহান উদ্দিন এর কিছু আপিল শুনানি কেসের দায়িত্ব পান সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান রতন তার পেশকার হিসেবে ছিলেন মোঃ ফারুক হোসেন, সার্ভেয়ার। স্যারদের কিছু খরচ দিলেই রায়পক্ষে দিবে বিশ্বস্ত দালাল আইয়ুব আলী এর মাধ্যমে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার (২,৫০,০০০) টাকা ঘুষ গ্রহণ করে রতন ও ফারুক ভুক্তভোগীরা পত্রিকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংবাদ কর্মীদের ভিডিও সাক্ষাৎকার দেন ও তথ্য প্রমান দেয়।

মৌখিকভাবে রায় দিলেও কাগজে কলমে দেয়নি রায় এখনো।হয়তো পরবর্তী শুনানিতে কোন ক্ষতি করে দিবে এমনটাই মনে করে ভুক্তভোগী অভিযুক্ত কারীরা।

মোঃ ফারুক হোসেন সার্ভেয়ার বানারিপাড়ায় বদলি হলেও ঘুষের টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছেন এমন কিছু কেস বাকি থাকায় বানরিপাড়ায় অফিস ফাঁকি দিয়ে এখনো মাঝে মাঝে বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে দেখা যায় তার উপস্থিতি।

ঘুষখোর সার্ভেয়ার মোঃ ফারুক হোসেনকে ছাড়া যে সকল আপিল কেস বর্তমানে শুনানি চলছে তার মোটা অংকের ঘুষ বিশ্বস্ত দালাল মোঃ বাশেদ হাওলাদার ও আইয়ুব আলী, বেশির ভাগ নিজের পিয়ন মোঃ রাকিব হোসেনের, মাধ্যমে আকাশ হোটেলে চিহ্নিত দালালদের সাথে খাবার টেবিলে হয় পর্চা দেয়ার জন্য দফারফা এবং পিয়ন ও নিরাপত্তা প্রহরী যেখানে রাতে ঘুমায় সেই রুমের মধ্যে দরজা আটকে ভিতরে মোটা অংকের ঘুষ আদায় করে তারা।

পহেলা এপ্রিল বুধবার দুইটি কেসের শুনানি শেষে পর্চা নিতে হলে এক এক টা পর্চায় পঞ্চাশ হাজার টাকা করে দুইটা পর্চায় এক লক্ষ টাকা দাবি করে তারা।

দর কষাকষির শেষে ২০ হাজার টাকা করে রফা দফায় আসে। দুইটার জন্য দাবি চল্লিশ হাজার টাকা এমনটাই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

এ বিষয়ে ওয়াহিদুজ্জামান রতনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা (২,৫০,০০০) অভিযোগের কেসটা তদন্ত করছে সার্ভেয়ার ফারুক, তাই এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।কিন্তু এই কেসের দায়িত্ব তো আপনার কাছে রিপোর্ট ও পর্চা তো আপনার অনুমতিতেই দেয়া হয় এবং আপনি পিয়ন রাকিবকে বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে পর্চার বিনিময়ে মোট অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। সংবাদ কর্মীদের এই প্রশ্নের কোন সদ উত্তর দিতে পারেননি রতন।

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মৃধা মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম এর কাছে উপরোক্ত বিষয়ে এবং ঘুষ বাণিজ্য ও অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলে যথাযথ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

নিউজ শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
Copyright©2025 WSB News24 All rights reserved
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x