শিরোনাম:

“স্বাধীন বাংলায় ধর্ষণের মিছিল, এই বর্বরতার শেষ কোথায়??”

অহেদুন নবী শুভ, হড়্গ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০

দেশের মানুষ আজ টিভি অন করতে ভয় পায়, পত্রিকা পড়তে ভয় পায়, তারা ভয় পায় ফেসবুকে নিউজফিড দেখতে। কারণ চোখের সামনে সর্বদা দৃশ্যমান ধর্ষণের সংবাদ। ধর্ষণ যেন একদল নরপশুর নিত্তনৈমিত্তিক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। নৃশংস এই কর্মকান্ডগুলো প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এই বর্বরতার ঘটনা ঘটছে প্রতিটাদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বাবা-মায়ের আদরের মেয়েটা, ভাইয়ের আদরের বোনটাও আজ এই স্বাধীন দেশে একা চলতে পারেনা। বাড়ি থেকে বের হলেই এক দুশ্চিন্তার ছাপ বাবা-মার চোখ মুখ গ্রাস করে ফেলে। ছোট্ট শিশুটাও আজ ধর্ষকদের হাত থেকে নিরাপদ নয়।ধর্ষণ কি সেটা না জেনেও হয়ে যায় ধর্ষিত। মায়ের মতো দেখতে বৃদ্ধ মানুষটাকেও ছাড়েনা এই নরপশুগুলো।
এদেশে রাস্তার পাগলি মেয়েটাও ধর্ষিত হয়! স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রী ধর্ষিত হয়। রাস্তায় ধর্ষণ, বাসে ধর্ষণ, বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণ! ধর্ষণ, ধর্ষণ আর ধর্ষণ!! এই শব্দটা আজ যেন জাতীয় শব্দে রূপ নিয়েছে৷ এমন একটা দিন এই শব্দটা না শুনে, না দেখে স্বস্তিতে ঘুমাতে যেতে পারেনা এদেশের মানুষ।

২০১৭ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৮১৮ জন নারী৷
২০১৮ সালে ধর্ষণের শিকার ৭৩২ জন।
২০১৯ সালে ধর্ষণের শিকার ১৪১৩ জন। বাহ কত চমৎকার পরিসংখ্যান।
২০২০ সালে হয়তো সব রেকর্ড ভেঙে ধর্ষণের রেকর্ড হবে গগণচুম্বি।

এত ধর্ষণ, এত নৃশংসতা কিন্তু শাস্তি হয়েছে কতজনের? প্রশ্ন রয়ে যায়! কিন্তু উত্তর মেলেনা।

ছোট্ট শিশুটিও টিভি দেখে প্রশ্ন করবে আমাদের- ধর্ষণ কি?
পারবো তো উত্তর দিতে??

দেশের প্রশাসন দর্শক না থেকে ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত করবে এবং এই মাতৃভূমিটাকে ধর্ষণমুক্ত পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তুলবে এটাই আজ সকলের দাবি।

বিবস্ত্র বাংলাদেশ নয়,
এদেশের মানুষ মশ্রিণ, পবিত্র ও স্বাধীন বাংলাদেশ দেখতে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x