সাত বছরেও বিচার হয়নি সোহেল হত্যার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৫ জুন, ২০২১
সাত বছরেও বিচার হয়নি সোহেল হত্যার

খুব কম সময়েই নেতা হয়ে উঠেছিল সবুজবাগ এর ছাত্রলীগ কর্মী রফিকুল ইসলাম সোহেল সৎ পরিচ্ছন্ন কর্মীবান্ধব নির্লোভ ছিল। একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে রফিকুল ইসলাম সোহেল ছিল সর্বমহলে কাছে মেধাবী ছাত্র নেতা।

প্রতিবেদক ২/ ১০/২০১৯|০১ঃ৫৬ সময় (রফিক স্মৃতি সংঘ)

রফিকুল ইসলাম সোহেল তার অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সবুজবাগ ৪ নং ওয়ার্ড এর সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী ছাত্রলীগ সংগঠনের সাথে জরিত ছিলেন। ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশী সর্বদা জনগনের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। মানুষের বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন যে কোন পরিস্থিতিতে।রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে একজন মেধাবী,কর্মঠ,সাহসী মানুষ হিসেবেই সবাই চিনতেন।

রফিকুল এর প্রাইমারি স্কুল ছিল সবুজবাগ এর কদমতলা পূর্ব বাসাবো স্কুলে পরতেন এবং ভাল ছাত্র ছিল প্রতি বছর ১-১০ এর মধ্যে রোল থাকাতো রফিকের।আর সাংস্কৃতিক প্রোতিযোগিতায় প্রতি বছর পুরুষ্কার নিয়ে ঘরে ফিরতেন রফিকুল এবং সাথে ছিল মেধাবী পুরুষ্কার বই।আর ও ছোট থেকে রফিক নৌকার মিছিল সুনে লাফিয়ে উঠতো আর যেতে চাইতো।মাঝে মাঝে এমনকি স্লোগান দিতে দিতে এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় চলতো মিছিলের সাথে। এভাবেই তার ছাত্র রাজনীতির হাতেখড়ি। এরপর মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ জীবনেও ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তারপর এক পর্যায় রফিকুল তার বাবার কষ্টের আয়ে বিদেশ যান টাকা রোজগার করার জন্য কিন্তুু তা আর সম্ভব হয় নি তার কাছে এর পর বিদেশ থেকে আসার পর

২০১১-২০১৩ সালে মধ্যে সবুজবাগ এলাকায় ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িয়ে পড়েন। সেখান থেকে পদ-পদবি। তার পর থেকে শুরু হয় রফিকুল এর জীবন এর দঃসময়,পরে যা অনেক রাজনৈতিক বড় ভাই বা আপন জন। রফিকুল ইসলাম সোহেল এর জীবন কিছুটা বলতে পারলাম হয় তবা।

তারপর ২০১৪ – ২ -১৩ তারিখ

রাত থেকে রফিকুল ইসলাম সোহেল এর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না হঠাৎ করে সবাই যেন এক চিন্তায় হতভম্ব। আত্মীয়- স্বজন, পারা- প্রতিবেশি, বন্ধু, হাসপাতাল, ইত্যাদি সব জায়গায় খোঁজাখুজি করেও মিলনাহ কোন সন্ধান। তারপর থানা গিয়ে রফিক নিখোঁজ বলে একটি সাধারণ ডাইরি করা হয় (জিডি) রফিকের বন্ধুদের কথামত। ২৪ ঘন্টা চলে যাওয়ার পর রফিকের কোন সন্ধান নাহ পাওয়া গেলে বিভিন্ন মিডিয়া হেড লাইন ও বিভিন্ন পএিকায় নিখোঁজ সংবাদ প্রকাশিত করা হয়। তার কোন সন্ধান নাহ মিলে,আইনি সহায়তায় নাম্বার ট্রেকিং করে সন্ধান মিলো ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় তার মোবাইল ফোন টি বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে অন্য দিকে তার বন্ধুগণ – রাসেল, নাসের ও পলাতক হয়।সন্দেহ এখন এক দিক বন্ধু।

এরপর রফিক পরিবার চলেগেল এলকার গন্যমান্য ব্যেক্তি দের কাছে যাদের মাধ্যমে রফিকুল এর সরাসরি রাজনৈতিতে জড়িত হওয়া,তার কাছে জানতে পারে রফিক পরিবার যে রফিক নিয়ে বন্ধু বৌ কে খুঁজার উদ্দেশে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে য়ায় কিন্তুু রফিকে কে নাকি এক পর্যায় খুজে নাহ পেয়ে ওরা চলে আসছে, আর গন্যমান্য ব্যাক্তির কথায় সন্দেহ আন্য দিকে, তারপর সবুজবাগ রফিক পরিবার গিয়ে সবকিছু খুলে বলে আসামি বন্ধু ২ জনের সাথে আরো ৩ জনের জরিত – দুলাল,মুন্নি,মৌ নামক আসামিদের যাদের নাম্বারে কল লিস্টে ওদের সবার সাথে রফিকুল এর টাও এক ছিল কিন্তুু সবাই ফিরোলো রফিক আর ফিরলোনা। ওরা আমার ছেলেকে যেন ফিরিয়ে দেয় এবং পলাতক বন্ধুু রফিকের অপহরন কারীদের দ্রুত গ্রফতার এর জন্য মামলা করতে চান কিন্তুু ২ দিনেও তা সম্ভব হয় নি। এক পর্যায় কান্নাকাটি করে হাত-পা ধরে দুই দিন পর ৩য় দিয় মামলা দায়ের করে কাগজ হাতে দেয় ৪থ দিন। এটা ছিল ছাত্রলীগ কর্মী কে যেনে শুনে মেরে ফেলা এক গল্প ঘটনা।

সবুজবাগ থানায় মামলা দায়ের পর মালার কোন গতিহীন ছিল,এবং মামলার কোন আসামি গ্রৈফতার করতে সক্ষম হয়নি সবুজবাগ থানা যার কারনে আসামি রা টাকার পাহাড়ে কারণে আগাম জামিন নিয়ে এলাকা এসে সাটের বুতাম খুলে ঘুরে বেরায় আর অন্য দিকে মেধাবী ছাত্রলীগ কর্মী রফিক কে অপহরণের পর গুম করা হল এট ছিল আইনি বিভাগ।

কিছুদিন পর রফিকুল ইসলাম সোহেল এর অপহরণ এর পর গুম হওয়া মামলা (ডিবি পুলিশ) কতৃক হস্তান্তর হয় তার পর গ্রফতার করা যায়নি রফিকের অপহরন কারীদের, মিলেনি কোন সন্ধান রফিকের। দীর্ঘ ১ বছর ৪ মাস ডিবি পুলিশ আসামিদের জামিন বাতিল করে কোর্ট আদেশে সব আসামিকে ৫ দিন এর রিমান্ডে দিলে চলে আসে সবুবাগের অপহরণ হওয়া ছাত্রলীগ কর্মী রফিকুল ইসলাম সোহেল এর লোমহর্ষক হত্যার পর লাশ গুমে মূল ঘটানা। সূত্র / (ডিবি পুলিশ)

আসামিরা জবানবন্দি দেয় ১৬৪ ধারা নারায়ণগঞ্জ স্কুল ঘাট থেকে রফিকে নৌকা করে নদীর মধ্যেবওি স্থানে গলাটিপে অর্ধ মৃত্যু অভস্তয় নদীতে ফলে দিয়ে চলে এসে বাচাঁর জন্য রফিক পরিবারের সাথে নানা রকম তালবাহানা করেন।

এরপর আসামিগণ ১ বছর জেল খেটে টাকার বিনিময়ে কন্ট্রাক জামিন আসে, তারপর থেকে নানা রকম হুমকি দেয়, তার কারন মেধাবী ছাত্রলীগ কর্মী রফিকের অপহরণ এর পর হত্যা করে লাশ গুম করা জন্য আসামিদের পিছনে একজনই মাত্র মদদ দাতা ছিল এখনো আছে। তার কারনে সবুজবাগ এর ছাত্রলীগ কর্মী রফিক হত্যার বিচার হচ্ছে নাহ, হচ্ছে নাহ কোন সাক্ষী, তার মূল কারণ হল রফিক হত্যার আসামি ও মদদ দাতাদের অবৈধ্য টাকার পাহার।

যার জন্য রফিক হত্যার ৭ বছর ৪ মাস শেষ হল, মিলোনা রফিকের লাশ, মিলচ্ছে নাহ রফিকুল ইসলাম সোহেল এর হত্যাকারীদের বিচার।

সোহেলের পরিবার দাবি জানান।
মমতাময়ী মানবতার মা দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশমাতা আপনার কাছে সবুজবাগ এলাকার দুর্দিনের কর্মী রফিকুল ইসলাম সোহেল এর চিহ্নিত হত্যাকারীদের বিচার চাই।

রফিক হত্যার বিচার কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারন, সত্য অবশ্যই প্রখর সূর্যালোকের মত দৃশ্যমান।

শেষ কোথায়? অপেক্ষায় একজন মা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x