শিরোনাম:
কালিয়াকৈরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন মাহমুদা বেগম কৃক পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আটককৃত আসামী ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে রডের আঘাতে বাবার মৃত্যু দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের আয়োজনে সাংবাদিক মামুনের পিতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল বুড়িমারী স্থল বন্দরে আন্তর্জাতিক কাস্টমস্ দিবস পালিত ২০২২ ৪নং উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নংওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী কামাল উদ্দিন’র গণজোয়ার নিয়ামতপুর প্রেসক্লাবের অনন্য উদ্যোগ সাপাহারে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানেরu নামে থানায় জিডি জাতীয় তৃনমুল প্রতিবন্ধী সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

লালমনিরহাট একই চিতায় দাহ করা হল হিমাংশু ও তার স্ত্রীরকে

মেহেরুবান হাবিব,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২২
লালমনিরহাট একই চিতায় দাহ করা হল হিমাংশু ও তার স্ত্রীরকে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া হিমাংশুর বর্মণ (৩৫) ও তার স্ত্রী সাবিত্রী রানীকে (৩০) একই চিতায় দাহ করা হয়েছে।

শনিবার (৮ জানুয়ারী) ময়নাতদন্ত শেষে রাত ১১টার দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে প্রথমে হিমাশু বর্মণ ও পরে সাবিত্রী রানীর মরদেহ স্থানীয় শ্বশানে দাহ করা হয়।

এর আগে গত শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউপির পুর্ব কাদমা গ্রামে সাবিত্রীর লাশ উদ্ধার করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ। সেখান থেকে বেলা ১২ টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী হিমাংশু বর্মণ ও তার কন্যা প্রিয়ংকাকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
ওইদিন শুক্রবার বিকেল ৪ টা ৫ মিনিটে থানা পুলিশ হিমাংশুকে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হিমাংশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের দাবি হিমাংশু থানার একটি কক্ষে গলায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

তবে হিমাংশুর বাবা বিশ্বেশ্বর বর্মণের দাবি, ‘পুলিশ তার ছেলের কাছে এক লাখ টাকা চেয়েছিল বিষয়টি মীমাংসার জন্য। আর সেই টাকা দিতে না পারায় পুলিশ তাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাবিত্রী রানী প্রায় ৭ মাসের অন্তঃসত্বা ছিলেন। তাদের ঘরে এবার ছেলে আসবে বলে চিকিৎসকের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছিলেন হিমাংশু-সাবিত্রী দম্পত্তি।

কিন্তু শুক্রবার ভোরে সাবিত্রী খুনের শিকার হওয়ায় সেই অনাগত সন্তান যেমন পৃথিবীর আলো দেখতে পারেনি। তেমনী পুলিশ হেফাজতে বাবা হিমাংশুর মৃত্যুর পর ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে দুই শিশু প্রিয়ংকা ও প্রেয়সীর জীবনে।
জানা গেছে, গত শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে মায়ের লাশের সাথে হিমাংশু ও তার বড় মেয়ে প্রিয়ংকাকে হাতীবান্ধা থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে বাবা-মেয়েকে আলাদা আলাদা কক্ষে রাখা হয়।
শিশু প্রিয়ংকা বলেন, থানায় বাবার সাথে একবারও দেখা করতে দেয়নি পুলিশ। এমনকি ওইদিন বিকেলে থানায় বাবা মারা গেলেও আমাকে জানানো হয়েছে অনেক রাতে। বলতে বলতে হাউ-মাউ করে কাঁদতে থাকে প্রিয়ংকা।

এদিকে হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)এরশাদুল আলম বলেন, ‘হিমাংশু থানার কক্ষে থাকা ওয়াই-ফাই এর তার গলায় পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার পরিবারের কাছে কোন টাকা চাওয়া হয়নি এগুলো সত্য নয়।

এবিষয়ে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, ‘থানায় মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে”।

সূত্রঃ জাগো নিউজ

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২২, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x