শিরোনাম:
হাটহাজারীতে ইউপি নির্বাচনে নৌকার ৮ জন ও স্বতন্ত্র ৫ জন বিজয়ী চাটমোহরে ইউপি নির্বাচনে আ’লীগের ৭, স্বতন্ত্র ৪ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হাতীবান্ধার সানিয়াজানে রাস্তা নির্মাণে নবতরী বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’র আর্থিক সহায়তা প্রদান ঝালকাঠিতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ বিক্রয়ের অভিযোগ ঝালকাঠিতে ১০০ টাকায় ১৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরীমো. কুতুবপুর ইউপি নির্বাচনে সেলিম রেজা বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত। সুন্দরগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে হামলা, ব্যালট পেপার ছিনতাই সিরাজগঞ্জে ভোটের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত ২ সাংবাদিক গোটা দেশের মানুষ জান মালের নিরাপত্তা সহ সুখে শান্তিতে বসবাস করতেছেন-বজলুল হক হারুন এমপি বোয়ালমারীতে মাদ্রাসার ছাত্রদের উপর হামলা, থানায় অভিযোগ

মহাজনপুর ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্রে পুলিশের চার রাউন্ড গুলি

হাসানুজ্জামান, মেহেরপুর
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১
মহাজনপুর ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্রে পুলিশের চার রাউন্ড গুলি।

মেহেরপুরের মহাজনপুর ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ড কোমরপুর পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর এজেন্ট এর মধ্যে কথা-কাটাকাটির জের ধরে ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা দেখা দেয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৪ রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ে । এসময় প্রায় ৩০ মিনিট ভোট বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভোটদান পর্ব শুরু হয়েছে। নৌকার ২ এজেন্টকে পুলিশ হেফাজতে নেয়।

এদিকে নৌকার সমর্থিত রেজাউর রহমান নান্নু অভিযোগ করেন, শরিফ হাবিবুর রহমান তার কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের কোমরপুর পশ্চিমপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের শুরুতেই এ ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল রহমান নান্নু বলেন, প্রতিপক্ষ আনারস প্রার্থীর এজেন্টরা ওই কেন্দ্রে জোরপূর্বক ভোট দিচ্ছিলো।

এ সময় আমি সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘটনার প্রতিবাদ করি। এসময় কেন্দ্রের কর্তব্যরত পুলিশের এসআই শরিফ হাবিবুর রহমান আমার মাথায় পিস্তল ঠেকায়ে হত্যার হুমকি দেয় । আমি প্রার্থীতার পরিচয় দেয়ার পরেও সে আমাকে হুমকি দেয়। তিনি আরো বলেন, মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসেমসহ পুলিশ প্রশাসনের কিছু সদস্য বিদ্রোহী প্রার্থী আমাম হোসেন মিলুর সমর্থনে কাজ করছে। তাদের ইন্ধনেই আমার কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে অপদস্থ করেছে। এ সময় নৌকার সমর্থকরা জোরপূর্বক কেন্দ্রে প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চার রাউন্ড ফাকা গুলি চালায়।

এ ঘটনার পরপরই সেখানে ভোটদান পর্ব বন্ধ করে রাখা হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।স্বতন্ত্র প্রার্থী আমাম হোসেন মিলু বলেন, আমার এজেন্টের বের করে দিয়ে জোর করে নৌকার পক্ষে ভোট মারছিল। আমি উপস্থিত হলে ২ এজেন্ট মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চার রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বাভাবিক পরিস্থিতি দাবি জানাচ্ছি।

মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসেম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চার রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ার কথা জানিয়ে বলেন, এখানে আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আছে। যা বলার তিনিই বলবেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামারুল ইসলাম বলেন, এই মুহূর্তে আমি কোন বক্তব্য দেবো না।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x