শিরোনাম:
জেনে নিন মাত্রাতিরিক্ত চা পান করার ক্ষতিকর দিকসমূহ হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা শাখা নারী বিভাগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সুজানগরে কৃষককে ছুরিকাঘাত করে হত্যা চেষ্টা: আইসিউতে ভর্তি আরএমএস মোটিভেশনে সোহান খান রফিকুল ইসলাম কাজল সভাপতি, বুলবুল আহম্মেদ সাধারণ সম্পাদক সাইবার ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম বরিশালের নিন্দা! নওগাঁয় সাড়ে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এক নৈশ্যপ্রহরী আটক। সুনামগঞ্জ সীমান্তে দেশী-বিদেশী মালামাল আটক রাজশাহীতে হকির সাবেক তারকা মিন্টু-শামীমের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মধুপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদন বিহীন অসংখ্য বেকারি চলছে সমিতির মাধ্যমে।

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১
মধুপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে

টাঙ্গাইলে মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের আম্বাড়িয়া নামক স্থানে লামিয়া বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মেয়াদ উত্তীর্ণ উপকরণ দিয়ে বেকারি খাদ্য তৈরি ও অনুমোদনহীন ক্যামিক্যাল ব্যবহার করে তৈরী করা হচ্ছে পাউরুটি, কেক, রোলক্রীম, বিস্কুটসহ বিভিন্ন রকমের মুখরোচক রসালো খাবার।ময়দা ও ডালডা দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাখন।

কেকের জন্য তৈরী মিশ্রিত ময়দার ড্রামে অসংখ্য মশা মাছি মরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই পোড়া মবিলে বারবার ভাজা হচ্ছে বিভিন্ন রকমের রসালো শিশুখাদ্য যা খেয়ে ছেলে মেয়েরা আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার আম্বাড়িয়া গ্রামে লামিয়া ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে অনুমোদনহীন ক্যামিক্যাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্যপণ্য।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় উৎপাদন ও মেয়াদ উর্ত্তীনের তারিখ ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে এইসব বেকারি খাদ্য।বেকারি খাদ্য তৈরিকারকদের কোন প্রকার স্বাস্থ্য পরিক্ষা না করে, সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও মাস্কবিহীন ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন তোয়াক্কা না করেই খালি হাতেই তৈরি করছেন এইসব বেকারি খাদ্যপণ্য। এতে করে করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার আসংখ্যা করছেন বিশিষ্টজনেরা

বেকারির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে মালিকপক্ষ জানান কারখানার সমস্ত কাগজপত্র মধুপুর বেকারি মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেনের কাছে জমা আছে বলে তিনি জানান।
বর্তমানে মধুপুর উপজেলার প্রায় শতাধিক বেকারি কোন প্রকার কাগজপত্র ছাড়াই শুধুমাত্র সমিতির মাধ্যমে চালিয়ে যাচ্ছেন।

লামিয়া বেকারির মালিক ইনকাম ট্যাক্সের এক অফিসারের কথা বলে মুঠোফোন ধরিয়ে দিলে জানা যায় তিনি জেলা বেকারি মালিক সমিতির এক কর্মকর্তা।

কোন কাগজপত্র ছাড়া সমিতির মাধ্যমে কি ভাবে বেকারিগুলো চলছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন এলাকাবাসীর।
ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা সকল অবৈধ বেকারি মালিকদের নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার আইন সংরক্ষণ ২০০৯ এর আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x