শিরোনাম:
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি ছোট ভাই মৃত্যুতে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের শোক প্রকাশ রাসিক মেয়র লিটনের সাথে জাপান দূতাবাসের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ মেলান্দহে শিশু ধর্ষনের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার-কে আটক আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং এর ডেমোস্ট্রেশন প্রদর্শন হাকিমপুর কাদরীয়া দরবার শরীফের ২দিন ব্যাপি ইছালে ২২তম সওয়াব ও ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতি জোট ফেনী জেলা শাখার কমিটি গঠন ৮ ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ১১ নারীকে সম্মাননা আন্তর্জাতিক নারী দিবস ট্রাফিক ব্যবস্থা অত্যাধুনিক করতে রসিকের মতবিনিময় সভা হাতীবান্ধায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মারা গেছেন

বিস্মৃত গৌরবের খোঁজে

আরিফ মাহমুদ, (রংপুর) প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
বিস্মৃত গৌরবের খোঁজে

বিস্মৃত গৌরবের খোঁজে

আলোকবর্তিকা
সুরেন্দ্রনাথ সরকার
শিক্ষক(অব.)

‘শিক্ষকতা’ বহু সাধনায় অর্জিত ভালোবাসার শিল্প।আদর্শ শিক্ষক মানে একজন ক্লান্ত সৈনিক।ওই জীবন বেশ কষ্টের ও বেদনার।সুরেন্দ্রনাথ সরকার। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক।যার চিন্তা, কথা ও আচরনে এখনও আলো ছড়ায়।তিনি ঘুঁটঘুটে অন্ধকারেও জীবনের স্বপ্ন কেনেন।পীরগঞ্জ উপজেলার ৯ নং ইউনিয়নের ‘চককরিম’ গ্রাম।১৯৩১ খ্রিস্টাব্দের ৩০ মে ওই গ্রামে সুরেন্দ্রনাথ সরকার জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর বাবা দ্বারকানাথ সরকার ও মা পুষ্পরানী সরকার।তিনি ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে এস এস সি পাস করেন গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে।এরপর রংপুরের সেনপাড়ার জুবেলি কমার্সিয়াল কলেজ থেকে বানিজ্য বিভাগে স্টেনোগ্রাফি,টাইপিং,এ এস এম ও টেলিগ্রাফি কোর্স সমাপ্ত করেন ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে।তারপর ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে ভারতের আলীপুর রেলস্টেশনে সহকারি স্টেশন মাষ্টার হিসেবে যোগদান করেন।মায়ের অসুস্থতার কারণে চাকরি ছেড়ে বাড়ি আসেন সুরেন্দ্র।এরপর তিনি মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ি এম ই স্কুলে যোগ দেন।শিক্ষক হিসেবে জীবনের পথচলা শুরু হয় সুরেন্দ্রনাথ সরকারের।উপজেলার গুর্জিপাড়ায় স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।ফলে তাদের অনুরোধে শঠিবাড়ি এম ই স্কুল ছেড়ে সুরেন্দ্রনাথ যোগ দেন গুর্জিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। তিনি সেখান থেকে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ওসমানপুর আবিরেরপাড়া মিশন স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।পীরগঞ্জ উপজেলার আরেকজন আলোকিত মানুষের নাম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ।যিনি পীরগঞ্জে ‘ফয়েজ পন্ডিত’ নামে পরিচিত ছিলেন।বাল্যশিক্ষক ফয়েজ পন্ডিতের আদেশে সুরেন্দ্রনাথ উপজেলার রায়পুরের জমিদারের প্রতিষ্ঠিত রায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে।এরপর রায়পুরের শিক্ষানুরাগীদের অনুরোধে তিনি ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে রায়পুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন।তারপর ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে মকিমপুর-১ প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন সুরেন্দ্রনাথ সরকার।এখন লাঠিতে ভর করে পথচলা। আগামী নিয়ে আশাবাদী।স্বপ্নের জাল বুনেন তিনি এখনও।আলোকবর্তিকা হয়ে অনেকদিন বেঁচে থাকুন প্রিয় শিক্ষক সুরেন্দ্রনাথ সরকার।
রায়পুরের জমিদার এস্টেটের খুঁটিনাটি জানতে প্রিয় শিক্ষকের সাথে তাঁর গ্রামের বাড়িতে।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25