১লা এপ্রিল, এপ্রিল ফুল নয়, বিশ্ব শাহাদাৎ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল, ২০২১

বগুড়া প্রতিনিধি

বিশিষ্ট সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ মোঃ আরমান হোসেন ডলার এর কাছে এপ্রিল ফুল নিয়ে জানতে চাইলে তিনি সুন্দর ভাবে বিস্তারিত মূল ঘটনা তুলে ধরেন। নিম্নে দেওয়া হলঃ

এপ্রিল ফুল অর্থ এপ্রিলের বোকা, প্রতি বছর ১লা এপ্রিল তারিখে সকাল থেকে কথা, কাজ বা অন্যান্য উপায় অপরকে ধোকা দিয়ে বোকা বানানো এক শ্রেণীর মানুষ মত্ত হয়ে ওঠে।

প্রকৃত পক্ষে এপ্রিল ফুল আনন্দের দিন নয় বরং মুসলমানদের জন্য এটা একটা শোক দিবস।

এবার তাহলে জেনে নেয়া যাক এপ্রিল ফুলের মূল #কাহিনীঃ ১৪৬৯ সালে এরাগন রাজা ফার্ডিন্যান্ড পর্তুগীজ রানী ইসাবেলাকে বিবাহ করেন।

একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল যৌথ খ্রিষ্টান শক্তির মাধ্যমে স্পেন দখল করে মুসলমানদেরকে ধ্বংস করা।

তাই বিয়ের পর থেকেই উভয় রাজা-রানী যৌথ সৈন্যবাহিনী গঠন করে, মুসলমানদের ধ্বংস করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। অবশেষে তারা মুসলমানদের অসতর্কতার সুযোগে স্পেনের রাজধানী গ্রানাডায় অতর্কিত হামলা চালায় এবং হত্যা করতে থাকে নিরীহ মুসলমানদের।

বাচার মরণপণ চেষ্টা চালায়, মুসলমানদের মহা বিপর্যয় পর্যবেক্ষণ করে ধূর্ত রাজা ফার্ডিন্যান্ড মুসলিম উম্মাহকে সমূলে ধ্বংস করার হিংস্র মনোভাব নিয়ে তার সৈন্যবাহিনীকে গ্রানাডার বিভিন্ন মসজিদ সমূহের পাশে আত্মগোপন করে সশস্ত্র অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দেন এবং মুসলমানদের উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলক ঘোষণা দেয় যে, যে সব মুসলমান অস্ত্র সমর্পণ পূর্বক গ্রানাডার মসজিদ সমূহে আশ্রয় নিবে তাদেরকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়া হবে এবং যারা সমুদ্রের খ্রিষ্টান জাহাজ সমূহে আশ্রয় নিবে তাদেরকে অন্যান্য মুসলিম দেশে পৌঁছে দেয়া হবে।

অসহায় মুসলমানরা তাদের কথা বিশ্বাস করে আশ্রয় নেয় বিভিন্ন মসজিদ ও জাহাজ সমূহে। হিংস্র নরপিশাচের উদ্দেশ্য সফল হল। তৎক্ষণাৎ ধোঁকাবাজের নির্দেশে তার সৈন্যরা মসজিদ সমূহে তালাবদ্ধ করে আগুন লাগিয়ে দেয় ও মুসলমানগণের আশ্রিত জাহাজগুলো গহীন সমুদ্রে ডুবিয়ে তাদের মনোবাসনা পূর্ণ করে।

প্রায় ৭ লাখ মুসলমানদের মধ্যে গুটিকয়েক ছাড়া সেই দিন উপস্থিত সবাই শাহাদাৎ বরণ করেন। মুসলমানদের নির্মম পরিণতি দেখে প্রতারক রাজা স্ত্রী ইসাবেলাকে জড়িয়ে ধরে বলতে থাকে “হায় মুসলিম তোমরা এত বোকা” সে মুসলমানদের নাম দিল ‘এপ্রিল ফুল’ অর্থ ‘এপ্রিলের বোকা’ আর এটা ছিল ১লা এপ্রিলের ঘটনা।

তাই প্রত্যেক মুসলমানদের এহেন ঘৃণ্য উৎসব থেকে দূরে থাকা এবং ঘৃণা প্রদর্শন করা। তাঁর সাথে সাথে এই হৃদয় বিদারক দিনকে শাহাদাৎ দিবস হিসেবে পালন করা কর্তব্য।।

চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ,
মোঃ আরমান হোসেন ডলার
স্টাফ রিপোর্টারঃ দৈনিক মুক্ত বার্তা।
সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি, বগুড়া জেলা শাখা।।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25