দাড়ি কোন কিছুতেই প্রতিবন্ধক হতে পারে না-ভিপি বশির ইবনে জাফর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১

প্রথমবার মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পর পার্টটাইমার হিসেবে জবের ইন্টারভিউ ছিলো একটি জাপানি প্রতিষ্ঠানে। একজন ভদ্রমহিলা আমার ইন্টারভিউ নিলেন এবং সবশেষে আমার কাছে জানতে চাইলেন যে আমি দাড়ি কাটতে পারবো কিনা।

আমি বললাম কোন অবস্থায়ই আমি দাড়ি কাটবো না। উত্তরে আমার দৃঢ়তা দেখে ভদ্রমহিলা আবার প্রশ্ন করলেন কেন কাটবো না। আমি তাকে দাড়ির ব্যাপারে ইসলাম প্রদত্ত নির্দেশনার কথা বললাম।

একই সাথে এটিও বললাম যে আমি আমার রাসূল স. কে প্রাণাধিক ভালোবাসি তাই তাঁর সাথে সদৃশতা রেখে চলতে পছন্দ করি যা কখনোই ত্যাগ করবো না।

ভদ্রমহিলা অভিভূত হলেন, ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্য আরো দুটি বিধানের কথাও জিজ্ঞেস করলেন এবং জানতে চাইলেন জবটা আমাকে দেয়া হলে আমার কোন চাওয়া আছে কিনা।

আমি বললাম হ্যাঁ আমাকে নামাজের সময় বিরতিতে যেতে হবে। তিনি বললেন যতো সময় প্রয়োজন আমাকে দেয়া হবে।

এক বছর পর আমি আরেকটি প্রাইভেট কোম্পানিতে একরকম স্থায়ীভাবে জয়েন করি যেখানে পোষাক নিয়ে তো প্রশ্ন নেই-ই বরং বস আমার জন্য জায়নামাজ কিনে এনে দিলেন যেন অফিসেই নামাজ পড়তে পারি।

এই দাড়ি নিয়েই আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে মিটিংয়ে বসি, ক্লাস করি, বড় বড় ইভেন্টগুলোতে বক্তব্য দেই। কোত্থাও কোন প্রতিবন্ধকতা নেই আলহামদুলিল্লাহ।

অথচ বাংলাদেশে আড়ংয়ের মতো কোম্পানির সেলসম্যান হতে গেলেও নাকি ক্লিনশেভ করা লাগে। কতো বড় ধৃষ্টতামূলক নীতি ভাবা যায়? মুসলমানের দেশে ওরা ব্যবসা করে। আর ইসলামের বিধিবিধানকেই চ্যালেঞ্জ করে!!

এদের উচিত শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। এদেশে ব্যবসা করতে হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা বা এর বিধিবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজস্ব নিয়ম বানাবে এটা করতে দেয়া হবে না।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25