শিরোনাম:
বগুড়ায় ফেন্সিডিল বিক্রির অভিযোগে পুলিশের এএসপিসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার। বখাটের ধর্ষণের শিকারে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী সন্তান প্রসব । ২১ এপ্রিল করোনায় ৯৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৪২৮০ বোরো ধান কর্তনের জন্য নীলফামারী ছাড়ছেন কৃষি শ্রমিকরা নীলফামারীতে ইটভাটা গিলে খাচ্ছে আবাদি জমি,হুমকির মুখে পরিবেশ আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর রুপন আচার্য্য হত্যার এজহারভুক্ত আসামী আটক গাজীপুরে মৌমাছির কামড়ে নিহত যুবক গাজীপুরে মাথাবিহীন যুবকের লাশ উদ্ধার BYBDC সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা বিনামূল্যে ডায়রিয়া রুগীদের সেবা দিচ্ছে বালিয়াডাঙ্গীতে বিএনপি কর্মীর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ভাংচুর, লুটপাটসহ অগ্নিসংযোগ

চেয়ারম্যান প্রার্থী মাফলের নৌকার মনোনয়ন সংগ্রহ।

মেলান্দহ প্রতিনিধি।
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
চেয়ারম্যান প্রার্থী মাফলের নৌকার মনোনয়ন সংগ্রহ।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী দলীয় মনোনয়নের জন্য ৫ এপ্রিল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জামালপুর জেলা শাখার বকুলতলাস্থ কার্যালয় হতে সকল সংগঠনের নেতাকর্মী ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি হাজী দিদার পাশাকে সাথে নিয়ে ইউনিয়নের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার লক্ষে এবং আলহাজ মির্জা আজম এমপি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্ন গ্রাম কে শহরে রুপান্তরিত করার একজন সহযোদ্ধা হয়ে কাজ করার প্রয়াসে দ্বিতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান হবার আশায় দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনলেন মেলান্দহ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো:জিন্নাহ’ এর বড় ভাই মাহফুজুল হক মাফল।

তিনি ৪ নং নাংলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের একাধিক বারের সভাপতি ও বর্তমান সফল চেয়ারম্যান।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত ৪নং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের পুনরায় চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মাঠে -ঘাটে,হাটে- বাজারে সবখানে আলোচনা ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে বতর্মান সরকার দলীয় চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি।

দীর্ঘদিন নির্যাতিত জননেতা মোঃ মাহফুজুল হক মাফল।মেলান্দহের দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে সফলদের মধ্যে অন্যতম মাহফুজুল হক মাফল।দলীয় মনোনয়ন পেয়ে আবারও চেয়ারম্যান হতে শতভাগ আশাবাদী।

তিনি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দেওলাবাড়ী গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য আলহাজ আব্দুল কাউয়ুম এর বড় ছেলে। জন্ম ১৯৫৮ সাল। মেলান্দহ উমির উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখা পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে পথযাত্রা শুরু করেন। সেই সময় বাবা আব্দুল কাউয়ুম বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সহচার্যে আওয়ামীলীগের একনিষ্ট কর্মী হিসেবে মেলান্দহ উপজেলা আওয়ামী রাজনীতিতে স্বক্রিয় হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন কষ্ট ও দুঃসময় পার করেন। চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক মাফল ১৯৮৫ সাল হতে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি২০০৫ হতে ২০১২সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক এবং ২০১২ হতে অধ্যবধি পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে প্রথম বাবের মতো ৪ নং নাংলা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান।

মাফল চেয়ারম্যান ৭ ভাই ২ বোনের মধ্যে বড়। জামালপুর জেলার মধ্যে শতভাগ আওয়ামীপন্থী, নির্যাতিত পরিবার(সকল আত্মী স্বজনসহ) পরিবার কোথাও নেই। তিনার বাবা আব্দুল কাউয়ুম ও ভাই -বোনেরা কেউ আওয়ামীলীগ ছাড়া আআত্মীয় করেনি।

মাফল চেয়ারম্যানের সফলতায় ইউনিয়নের দুর্গম এলাকা পর্যন্ত শতভাগ বিদ্যুৎয়ান, প্রায় সকল রাস্তা পাকা করণ এবং অনেকগুলি ব্রীজ কালর্ভাড তৈরি,মাদক,বাল্যবিবাহ,চুরি- ডাকাতি নির্মুলে সবসময় সোচ্চার থেকে মডেল ও উন্নত ইউনিয়নের নাগরিক সুবিধাসহ বিনামুল্যে ভিজিডিকার্ড,বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা,প্রতিবন্ধীভাতা,দুর্যোগকালীন ত্রাণ সহায়তা, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ন্যায়পরায়ণ হয়ে অধিক বিরোধ মিমাংসা করে থানায় ও কোর্টে মামলা সংখ্যা কমানো,মসজিদ-মাদ্রাসায় সরকারী অনুদানের পাশাপাশি নিজেস্ব তহবিল থেকে উন্নয়ন করে ইউনিয়নবাসীর ও নিজ দলীয় সর্বস্তরের লোকের ভালবাসা অর্জন ও এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে তাকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন জানায়- চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক মাফল ৪ নাংলা ইউনিয়ন বাসি ও নেতাকর্মীদের মধ্যে উজ্জল নক্ষত্র।তার সঠিক দিক নির্দেশনায় দলীয় সকল কর্ম সুষ্ট সুন্দর ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বুলবুল ইসলাম জানান- শেখ হাসিনা ও মির্জা আজম এমপির দেশ উন্নয়নের যে স্বপ্ন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সেই উন্নয়নের ধারা অব্যহতি রাখতে এবং দলীয় শৃঙ্খলা বহাল রাখতে মাফল চেয়ারম্যানের বিকল্প নেই।

চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক মাফল তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের দুঃসময়ে স্মৃতির কথা ব্যক্ত করে বলেন- এমন সময় গেছে যেদিন কেন্দ্রে এজেন্ট হতে দেয়া হয়নি। আমার পরিবার সদস্যরা জীবনবাজি রেখে এজেন্ট হয়ে কেন্দ্রে অবস্থান করলে বিএনপি নেতারা আমাদেরকে অপমান করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে।৮/১০ টি মামলার আসামী করা হয়েছিল ৪/৫ বার কারা বরণ করেছি। একাধিকবার আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করা হয়ছে।উপজেলা কোথায় কিছু হতে না হতে আমাদের উপর মামলা হামলা হতো।কোন সময় ঠিকমতো খেতে ও রাতে ঘুমাতে পারতামনা।জীবন বাঁচানোর তাগিদে রান্নাঘরে গোয়ালঘরে বাঁশঝারে – চৌকি ও খাটের নিচে, কখনো মাদারগঞ্জে রাত কাটতে হতো।

২০০১ সালে বিএনপি যখন বিজয়ী হলো সকালেই আমার ঘরের সামনে বিএনপির ক্যাডাররা অনেক গুলি বোমা ও ককটেল ফোটায়, স্ত্রী – সন্তানদের নিয়ে আমরা তখন ঘরেই অবস্থান করছিলাম ককটেলের বিকট শব্দ শোনে ছোট মেয়েটি চিৎকার করে গলা ঝাপটে ধরে মেয়ের কান্না দেখে আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি মেয়েদের নিয়ে আত্ম রক্ষার জন্য চৌকির নিচে লুকিয়ে পড়ি,সন্ত্রাসীরা বাড়িঘর ভাংচুর করে চলে যায়। এসময় তিনি আবেগ আপ্ফুল্ল্য হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। তিনি আরও বলেন – আমি মানুষের সেবক হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান বানিয়ে ৫ বছরের জন্য দায়িত্ব পেয়েছিলাম আমি চেষ্টা করেছি।

ইউনিয়নবাসীর সেবক হয়ে আমার দায়িত্বযথাযথ পালন করতে।তবে এটা বলতে পারি আমার ধারায় কেউ হয়রানি বা কোন অসহায় মানুষ ফিরে যায়নি।আমরা কর্ম, ন্যায়পরায়ণতা ও দলীয় শৃঙ্খলা দেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা , মির্জা আজম এমপি এবং জেলা – উপজেলা নেতৃবৃন্দ আমাকে ৪ নং নাংলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় দলীয় মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে সুযোগ দেয়।

তাহলে আমি নির্বাচন করবো আর যদি দলীয় মনোনয়ন আমায় না দেয়, তাহলে যে নৌকা প্রতীক পাবে আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সবাই নৌকার পক্ষেই কাজ করবো ইনশাল্লাহ।
তিনি আরও বলেন আমি গরিব দুঃখী মানুষের পাশে আছি। দলীয় মনোনয়ন পেলে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে নৌকার সম্মানে এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়ন কাজ করে যাবো।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25