শিরোনাম:
হাটহাজারীতে ইউপি নির্বাচনে নৌকার ৮ জন ও স্বতন্ত্র ৫ জন বিজয়ী চাটমোহরে ইউপি নির্বাচনে আ’লীগের ৭, স্বতন্ত্র ৪ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হাতীবান্ধার সানিয়াজানে রাস্তা নির্মাণে নবতরী বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’র আর্থিক সহায়তা প্রদান ঝালকাঠিতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ বিক্রয়ের অভিযোগ ঝালকাঠিতে ১০০ টাকায় ১৪ তরুণ-তরুণীর পুলিশে চাকরীমো. কুতুবপুর ইউপি নির্বাচনে সেলিম রেজা বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত। সুন্দরগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে হামলা, ব্যালট পেপার ছিনতাই সিরাজগঞ্জে ভোটের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত ২ সাংবাদিক গোটা দেশের মানুষ জান মালের নিরাপত্তা সহ সুখে শান্তিতে বসবাস করতেছেন-বজলুল হক হারুন এমপি বোয়ালমারীতে মাদ্রাসার ছাত্রদের উপর হামলা, থানায় অভিযোগ

আসন্ন পাতাড়ী ইউপি নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান জাহাঙ্গীর আলম

সোহেল চৌধুরী রানা, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১
নৌকার মাঝি হতে চান জাহাঙ্গীর আলম

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সাপাহার উপজেলার ৫ নং পাতাড়ী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ও নৌকা প্রতীক পেতে চান ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। বর্তমানে তিনি উপজেলার কলমু ডাঙ্গা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন।

ইতিমধ্যে তিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে জনমত সৃষ্টির লক্ষে এলাকায় ব্যপক সাড়া জাগিয়েছেন। প্রতিটি ওয়ার্ড, পাড়া মহল্লা ঘুরে সর্বস্তরের মানুষের সাথে সুখে-দুঃখে আপদে বিপদে মতবিনিময়, কুশল বিনিময় সহ সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে ব্যপক জন সম্পৃক্তা গড়ে তুলেছেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে দলীয় নেতা-কর্মীসহ এলাকার নবীন ও প্রবীন ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় এবং সকলের শারীরিক, পারিবারিক খোঁজ খবরও নিচ্ছেন তিনি বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, পারিবারিক ভাবে রাজনীতিতে আমার হাতেখড়ি। আমার পিতা স্কুল জীবনে ছাত্রলীগে আমাকে যোগদান করান। আমি কলমু ডাঙ্গা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও ইউনিয়নে সক্রিয় ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করি। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশ গ্রহন করি। ১৯৯১ সাল হতে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন হরতাল-সংগ্রামে সক্রিয় অংশ গ্রহন করি। ১৯৯৬-১৯৯৭ সালে কলেজ জীবনে ছাত্রলীগ কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলাম।

উত্তর বঙ্গের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, নওগাঁ জেলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি মরহুম জননেতা আব্দুল জলিল সাহেবের উপস্থিতিতে থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (১৯৯৭-২০০০) নির্বাচিত হই। আমার সময়ে সাপাহার থানায় ছাত্রলীগের ব্যপক প্রচার ও প্রসার ঘটে, যার স্বাক্ষর আদৌও অাছে। অতঃপর চাকুরিতে যোগদান করি এবং আওয়ামী লীগের মূল দলে যোগদান করি। ২০০১ সাল হতে ২০০৭ সাল পর্যন্ত জামাত-বিএনপির নির্মম, নিষ্ঠুর নির্যাতনের স্বীকার হই। জামাত-বিএনপি আমাকে বিভিন্ন সময়ে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে।

কয়েকবার হামলাও হয়। অল্পের জন্য প্রানে বেঁচে যায়। ২০০১ সাল হতে ২০০৭ সালে বিভিন্ন মামলার আসামী হই এবং বেশ কয়েক দফা কারাবরন করি। ২০০২ সালে অত্র ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহন করি এবং অদ্যবধি অত্যান্ত সুনামের সহিত দলীয় কর্মসূচী ও সাংগঠনিক সকল কর্মকান্ড এবং দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। এছাড়াও আমার আরও ৪ টি ভাই ও ৭ টি বোন সকলেই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে ছিলো এবং শক্তিশালী কর্মী হিসেবে দলের সাথে জড়িত আছে।

তিনি আরও বলেন, আমার পিতা মৃত নুরুল ইসলাম ষাটের দশক থেকে রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালে নির্বাচন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহন করেন। তিনি অত্র এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। কিন্তু, দুঃখের বিষয় তিনি মুক্তিযোদ্ধা সনদ পাননি। তিনি ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হয়ে ৫ নং পাতাড়ী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ভোটে অংশ গ্রহন করেন এবং নির্বাচিত হন। তিনি মনেপ্রাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত ছিলেন।

অত্র ইউনিয়ন জামাত-বিএনপি অধ্যুষিত ইউনিয়ন। ১৯৮৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীক মাত্র ২১৬ ভোট পান। ১৯৯১ সালে ২৩৮, ১৯৯৬ সালে ১১৫০, ২০০১ সালে ২৩৭০, ২০০৮ সালে ৪৪৪৫ ভোট পায়। উক্ত ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে বিভিন্ন মামলা-হামলার স্বীকার হতে হয়। পারিবারিক ভাবে লাঞ্ছিত হতে হয়।

তিনি এ ইউনিয়নে একাধিক বার সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হন। বিভিন্ন সময়ে থানা ও জেলার আ’লীগের বিভিন্ন পদে ছিলেন। সর্বশেষ থানা আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ডাঃ বসিরউদ্দিন শাহ্ এর স্নেহাস্পদ ছিলেন। তিনি মরহুম জননেতা আব্দুল জলিল, সাবেক এমপি মরহুম মোঃ আজিজার দেওয়ান সহ বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব সাধন চন্দ্র মজুমদার সাহেবের অত্যান্ত আস্থাভাজন ও কাছের রাজনৈতিক মানুষ ছিলেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমূখী সকল কর্মকান্ডের সুফল জনসাধারণের মাঝে পৌঁছে দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত “ভিশন ২০৪১” অর্জনের লক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার মহদোয়ের নিক নির্দেশনা মেনে শতভাগ সততা ও নিষ্ঠার সাথে ইউনিয়ন বাসীর সহযাত্রী হিসাবে মাদক ও বাল্যবিবাহ মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ নিয়ে আসন্ন পাতাড়ী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ও নৌকা প্রতীক পেতে চান ত্যাগী নেতা জাহাঙ্গীর আলম।

এই বিভাগের আরও খবর
কপিরাইট ©২০০০-২০২০, WsbNews24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY ServerNeed.Com
themesbazarwsbnews25
x