

ব্রিতে দীর্ঘদিন মহাপরিচালকের পদ শূন্য থাকার প্রেক্ষিতে বিগত ৩ মে ব্রি'র জ্যেষ্ঠ সিএসও এবং প্রথিতযশা মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ড. আমিনুল ইসলামকে মহাপরিচালকের রুটিন দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ড. আমিনুল ইসলামকে ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে সরকারী ঐ আদেশ প্রতিহত করার জন্য বিগত ৩ ও ৪ মে ব্রি'র কথিত নব্য হাইব্রিড জাতীয়তাবাদী দুর্নীতি প্রবন একটি গ্রুপ চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি করে।এমন কি ব্রি'র সকল গেইটে তালা মেরে বহিরাগত সন্ত্রাসী ভাড়া করে এনে পুলিশের সাথেও ধস্তাধস্তি করে চুড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে।
এই পর্যায়ে দুর্নীতিগ্রস্থ ও সুযোগ সন্ধানী সচিব রফিক-ই-মোহামেদ তড়িঘড়ি করে উক্ত আদেশ বাতিল করেন এবং লোকদেখানো তদন্ত কমিটি গঠন করে। মজার বিষয় হচ্ছে ৩ ও ৪ মে এর নৈরাজ্যের মাস্টার মাইন্ড ও চরম দুর্নীতিবাজ ড. রফিকুল ইসলামকে মহাপরিচালক এর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। অপরদিকে তদন্ত কার্যক্রম এখন হিমাগারে। ড. রফিকুল ইসলাম মহাপরিচালক এর দায়িত্ব গ্রহনের সাথে সাথে ব্রি'র সন্ত্রাসী হাইব্রিড জাতীয়তাবাদী ড. হাবিবুর রহমান মুকুল হয়ে পড়ে ভার্চুয়াল ডিজি। ব্রি'র সকল পদোন্নতি, বদলী ও টেন্ডার বানিজ্যের দন্ড মুন্ডের কর্তা এখন মুকুল। তিনি ইতোমধ্যে গডফাদারে পরিণত হয়েছেন।
মুকুলের একটি প্রিন্টার ক্রয়ের আবেদনে বিধি মোতাবেক ব্যাবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করায় পরিচালক (প্র:) কে টেলিফোনে হুমকী প্রদর্শন করে যে এসব করলে তিনি ব্রিতে থাকতে পারবেন না। এমনকি তার রুমে একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির নিয়মিত শ্রমিক নিয়ে এসে পরিচালক (প্র:) কে প্রকাশ্যে ব্রি থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়। ঐ সন্ত্রাসী শ্রমিক অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাবে পরিচালক (প্র:) কে স্মরণ করিয়ে দেয় যে "ব্রি এখন মুকুল স্যারের কথায় চলে আপনিও স্যারের পরামর্শে চলবেন"। এ বিষয়ের পরিচালক প্রশাসনকে মোবাইল করলে তিনি এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ড. রফিক মহাপরিচালক নিয়োগের একমাসের মধ্যে
বিগত ১৪ আগষ্ট ২০২৬ ব্রি' ৯৩ তম বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় ১২ জন এসএসও কে পিএসও পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। যেখানে হাবিবুর রহমান মুকুলও তার বিতর্কিত পদোন্নতি নিশ্চিত করে। জ্যেষ্ঠ একজন মহিলা বিজ্ঞানীকে বদলীর ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে পদোন্নতি না নেয়ার জন্য লিখিত দিতে মুকুল ও তার অনুসারীরা বাধ্য করে। জিকিউএন বিভাগের ড.তাপস কুমার সরকারকে পিএসও পদে পদোন্নতি প্রদান কর হয়েছে অথচ তার এসএসও পদের নিয়োগই বৈধ ছিলোনা।
সে কারনে তার নিয়োগের পর অতিরিক্ত বয়সের কারনে তার নিয়োগ বাতিলোর জন্য ১ম সি: সহকারী জজ আদালতে মামলা হয়ে ছিলো তা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। এমনকি সেই ফ্যাসিস্ট সময়ে তাকে ব্রি কর্তৃপক্ষ তাকে বিনা ভোটে ব্রি বিজ্ঞানী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বানানো হয়। জনশ্রুতি আছে এর মাধ্যমে ব্রি'র মহাপরিচালক নিয়োগে ড. রফিকুল ইসলাম এর পক্ষে অর্থায়নের পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া প্রাক্তন ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের ভাগ্নেকে উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের পিএসও পদে অর্থের বিনিময়ে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। আওয়ামী আমলে দোর্দণ্ড প্রতাপে ফ্যাসিস্ট ড. শাহজাহান কবীররে সকল অপকর্মের সহযোগী আনিসুজ্জামান লিটন, রেজোয়ান ভূইয়া, রত্না রানী মজুমদারকে বিপুল অর্থের বিনিময়ে এবং বিজ্ঞানী সমিতির নির্বাচনে হাবিবুর রহমান মুকুলকে ভোট দেয়ার বিনিময়ে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া ব্রি প্রবিধানমালায় পদের কিংবা নিয়োগযোগ্যতা না থাকা সত্বেও ফার্ম সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক পদে কৃষি মন্ত্রনালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের তদন্ত কমিটির দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কাওছার আহমেদকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
অথচ এই কাওছার আহমেদ বিগত ফ্যাসিস্ট সময়ে নিয়মিত উপ-পরিচালককে অকার্যকর করে ব্রি'র সকল নিয়োগ, পদন্নোতি, প্রকিউরমেন্ট ও টেন্ডারে দুর্নীতিতে সহযোগিতার প্রমানিত অভিযোগ রয়েছে। আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে তার বিরুদ্ধে ড. মো: ইব্রাহীম সিএসওকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিতে বিগত ১৫ বছরের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন। কাওছার এখন ডিজির অনৈতিক টাকা সংগ্রহের মুল হাতিয়ার।
এদিকে বিগত ১৫ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত ফটোগ্রাফার মাসুম রানাকে এ ও পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। এই মাসুম রানা আওয়ামী বিনা ভোটের নির্বাচনে ব্যালট পেপার সিলা মারা সহ সকল অপকর্মে ফ্যাসিস্ট মহাপরিচালককে সহযোগীতা করেছে। এছাড়া ড. রফিকুল ইসলামকে মহাপরিচালক বানানো মিশনে এরা অর্থদাতা ছিল। ড. রফিক দায়িত্ব গ্রহনের সাথে সাথে ড. মুকুলের অনুসারীরা ব্রি হিসাব বিভাগের সহকারী পরিচালক মো: রুহুল আমিনকে অফিস চলাকালীন অফিস চত্বরে ফেনীর নিজাম হাজারীর আত্মীয় ও ড. রফিকের সোনাগাজীর দুর্নীতির সহযোগী আনেয়ারুল আজিম এর নেতৃত্বে লাঞ্ছিত করে।
কিন্তু তার লিখিত অভিযোগে থাকা সত্বেও অদ্যাবদি কারো বিরুদ্ধে কোনরূপ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।
ড. রফিকুল ইসলাম মহাপরিচালক হওয়ার অব্যবহিত পরেই কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন অতিরিক্ত সচিব ড. আব্দুর রৌফ কমিশন কর্তৃক দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ও গোড়া আওয়ামী লীগার তারেক সালাউদ্দিন সি: স: পরিচালককে ব্রি হিসাব বিভাগের প্রধান করে বদলী করে নিয়ে আসা হয়েছে। জনশ্রুতি আছে যে ড. রফিক- মুকুল গং এর অবৈধ লেনদেনের প্রবাহ নির্বিঘ্ন করার জন্যই এই পদায়ন।
বিগত ফ্যাসিস্ট সময়ের সবচেয়ে বিতর্কিত বিজ্ঞানী যাকে কিছুদিন উপ-পরিচালক (প্রশাসন এর দায়িত্বেও রাখা হয়েছিল সেই ড. সিরাজুল ইসলামকে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে সদর দপ্তরে বদলী করে আনা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অথচ এই ড. সিরাজ বিগত বিগত আওয়ামী আমলের নির্বাচনে প্রকাশ্যে আওয়ামী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করেছে। ২০১৪, ১৮ ও ২৪ এর সকল নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জন্য ব্রি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বারবার ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। মোঃ সিরাজুল ইসলাম স্মরণিকা প্রকাশনা উপকমিটি-২০২০ এর আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড ছিলো। তার বিরুদ্ধ প্রায় ৫০ জন আত্মীয়কে ব্রিতে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি সকল কেনাকাটা এবং খাদ্য কমিটির দায়িত্বে থাকতেন।
মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সিএসও এবং প্রধান কে, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় খাগড়াছড়ি থেকে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ড. হাবিবুর রহমান মুকুল বদলি করিয়ে সদর দপ্তরে নিয়ে আসেন ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এটি এখন ওপেন সিক্রেট। সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চারিত্রিক স্খলনেরও প্রতিষ্ঠিত অভিযোগ রয়েছে। এই সকল অভিযোগের প্রেক্ষিতে আগষ্ট বিপ্লবের পর তাকে ব্রি সদর দপ্তর থেকে বদলী করা হয়ে ছিল। ১৭ বছরে তার দলবাজী ও দুর্নীতির অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্ত হলে তার চাকুরীচ্যুতি অনিবার্য সেখানে তাকে বদলীর মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হলো।
ড. রফিক মহাপরিচালক এর দায়িত্ব গ্রহনের পর নুরজাহান নামে একজন বিতর্কীত মহিলা শ্রমিককে বদলী করে আনা হয় যার বিরুদ্ধে বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ব্রি'র একজন বিএনপি সমর্থক কর্মচারীর স্ত্রীকে লাঞ্চিত করে বাসা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ড. রফিক সর্বশেষ ব্রি'র পরিচালক গবেষণার শূন্যপদ পূরনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে বিশেষ সুপারিশ করে ড. মো: ইফতেখারুদ্দৌলা নাম প্রেরণ করেছে। অথচ এই ইফতেখারুদ্দৌলা বিগত সময়ে বিতর্কিত মহাপরিচালক ড. শাহজাহানের কোষাধ্যক্ষ ছিলো এবং স্থানীয় আওয়ামী নির্বাচনের অর্থ দাতা ছিলো। তিনি সরাসরী সংসদ ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচারণা করেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হলে ব্রির অনেক বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রকাশ্য দলবাজি, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে চাকুরীচ্যুতর সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করেন।
ড. রফিক মহাপরিচালক এর দায়িত্ব পাওয়ার পর সবকিছুই বিপুল অর্থ বিনিময়ে হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজ্ঞানীরা দাবী করেন এবং রফিক- মুকুল গং এই দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করছে বলে মত প্রকাশ করেছে।
পক্ষান্তরে যারা ৩ ও ৪ মে বর্তমান সরকারের আদেশ বাস্তবায়নের পক্ষ অবলম্ভন করেছিলো তাদেরকে মুকুল গং অব্যাহত হুমকী ধমকী দিয়ে যাচ্ছে। অতি সম্প্রতি মো: সেলিম নামের ব্রি'র একজন স্টোর অফিসারকে বদলীর জন্য নথি উপস্থাপন করা হয়। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিএনপি করার আপরাধে বৈষম্যের শিকার হয়ে একাধিক বার বদলী হয়েছেন এবং পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন।
নথিতে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশে নথি উপস্থাপন করা হলো মর্মে উল্লেখ করে কিন্তু ড. রফিক মহাপরিচালক হিসেবে এই ধরনের নির্দেশ দেন নাই বলে ব্রি'র বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতিকে অবহিত করেন। মোবাইলে বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি ড. মো: ইব্রাহিম এই প্রতিবেদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। অনুরুপ আরেকটি ঘটনায় একজন কর্মচারীর অভিযোগে একজন ৬ষ্ঠ গ্রেড কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলবের নথি পরিচালক প্রশাসন পর্যন্ত চলে যায়। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় যে মহাপরিচালক কিংবা পরিচালক কেউ-ই এধরণের নোটের সুচনা করতে বলেননি। ব্রি' নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি পক্ষ জানান যে ড. মুকুলের নির্দেশে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ও অবৈধ পদোন্নতি প্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পরিচালক কাওসার আহমেদ এই ধরনের নোট উপস্থাপনের সাথে জড়িত।
এদিকে ইতোমধ্যে ব্রি'র প্রাক্তন মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান (সিএসও) ড. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী ড. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন তাকে প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক পদে পদায়ন অবৈধ মর্মে উল্লেখ করে জাস্টিস ডিমান্ড নোটিশ প্রদান করেন।
তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে ব্রিতে বিগত ১৭ বছরের সীমহীন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির ঘটনা রয়েছে। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে যারা মহাপরিচালক এর দায়িত্ব পেয়েছে তারাও সেই সময়ের সুবিধা ভোগী। যার ফলে সেই সময়ে ঘটে যাওয়া ব্যপক দুর্নীতির কোন তদন্ত ও প্রতিকার হয়নি। বরং সেই সময়ে দুর্নীতির মাধ্যমে উপর্জিত অর্থ এখন মহাপরিচালক নিয়োগসহ বিভিন্ন ব্যক্তির আংগুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার প্রকল্পে ব্যবহার হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট দলবাজ ও দুর্নীতিবাজরা আবার স্বমূর্তিতে আবির্ভূত হচ্ছে। প্রতিকার বিষয়ে তার মন্তব্য হচ্ছে, "ব্রি'র বিতর্কিত নির্বাহী ও অভিযুক্ত সিন্ডিকেট হোতাদের সরিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিগত সময় থেকে এ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া বিষয় গুলোর একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং অপ্রিয় হলেও সেমতে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার বৃহত্তর স্বার্থে এই অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ অতিব জরুরী।
অপরাধীর খোজে প্রতিদিন, যেকোন খবর প্রকাশের জন্য মেইল করুন- wsbnews24@gmail.com
Copyright © 2026 wsbnews24.com. All rights reserved.